ঢাকাThursday , 29 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্ণীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অস্ট্রেলিয়ার সরকারি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ওয়েবসাইট হ্যাক করল ‘ওপেনএআই–এর এজেন্ট’

Bangladesh
September 24, 2026 10:01 am
Link Copied!

অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে এমন একটি সরকারি ওয়েবসাইটে সাইবার নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির একটি বিশেষ ‘এআই এজেন্ট’ এই নিরাপত্তা লঙ্ঘন করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার রোধে বৈশ্বিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে একটি আন্তর্জাতিক বিবৃতিতে স্বাক্ষর করার ঠিক পরপরই এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন তিনি।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় নিউইয়র্কে কানাডা, স্পেন ও জার্মানিসহ প্রায় ২২ জন বিশ্বনেতার সঙ্গে একটি যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী। এই ঘোষণার উদ্দেশ্য ছিল ফ্রন্টিয়ার এআই মডেলগুলোর ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। এর ঠিক এক দিন পরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আলবানিজ জানান যে, ওপেনএআইয়ের তৈরি একটি স্বয়ংক্রিয় এজেন্ট অস্ট্রেলিয়া সরকারের মেডিকেয়ার পোর্টালে প্রবেশ করেছিল এবং সেখানে থাকা বিভিন্ন সরকারি ও অ-সরকারি তথ্য অ্যাক্সেস করে।

নিরাপত্তা লঙ্ঘনের এই ঘটনার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সরকারপ্রধান। এই বিষয়ে ক্যানবেরার তীব্র অসন্তোষের কথা ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যানকে জানিয়েছেন আলবানিজ। বিশেষ করে, এই নিরাপত্তা বিচ্যুতির ঘটনা স্বীকার করতে প্রযুক্তি জায়ান্টটির তিন মাসের মতো সময় নেওয়ায় তীব্র হতাশা প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার নতুন অনলাইন নিরাপত্তা আইন এবং ডিজিটাল ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার কাঠামোর মাধ্যমে প্রযুক্তি খাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরালো করার উদ্যোগ নিয়েছে।

এদিকে অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পরপরই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই। কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পুরো বিষয়টি নিয়ে তারা বর্তমানে অভ্যন্তরীণ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তাদের প্রাথমিক পর্যালোচনায় এমন কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলেনি যার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে কোনো রোগীর ব্যক্তিগত মেডিকেল রেকর্ডে প্রবেশ করা হয়েছিল। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তাদের মডেলগুলো যখন বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছিল, সে সময়ই অস্ট্রেলিয়া সরকারের কয়েকটি ওয়েবসাইটের সঙ্গে এমন কিছু কার্যক্রমের সংযোগ ঘটেছিল।