ঢাকাThursday , 29 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্ণীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘ভুয়া খবর দেয়’ দাবি করে তিনটি সংবাদ মাধ্যমকে হোয়াইট হাউজে নিষিদ্ধ করলেন ট্রাম্প

Bangladesh
September 19, 2026 11:31 am
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারজুড়ে মূলধারার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে এক টানাপোড়েন ও আক্রমণাত্মক সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন। মার্কিন রাজনীতিতে প্রায়শই গণমাধ্যমকে প্রতিপক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করার প্রবণতা দেখা গেছে তার কর্মকাণ্ডে। সংবাদ পরিবেশন প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তিনি বিভিন্ন সময় প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে জনসমক্ষে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার এই নীতি ও মনোভাব দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গন এবং সংবাদকর্মীদের মাঝে সবসময়ই তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় হোয়াইট হাউজে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার সম্পূর্ণভাবে বাতিল করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রশাসনের কাজের সমালোচনা এবং মিথ্যা বা একপেশে খবর প্রকাশের অভিযোগে ওই গণমাধ্যমগুলোকে এই শাস্তি দেওয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ঘটনা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে বড় ধরনের উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল। সাংবাদিক সংগঠনগুলো মনে করে, এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা সংবাদকর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে অন্তরায় এবং মুক্ত গণমাধ্যমের পরিপন্থী।

হোয়াইট হাউজের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে সংবাদ সংগ্রহের অধিকার হাড়ানোয় সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোর কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছিল। প্রশাসনের নীতি ও সিদ্ধান্তের সরাসরি বিবরণ পাঠকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এটি একটি বড় বাধা হিসেবে দেখা দেয়। তা সত্ত্বেও ট্রাম্প প্রশাসন তাদের অবস্থানে অনড় থেকে জানায় যে, অসত্য সংবাদ প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য হোয়াইট হাউজে কোনো স্থান নেই। এই ঘটনা মার্কিন রাজনীতিতে সংবাদমাধ্যম বনাম রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বৈরথকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, গণমাধ্যমের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বৈরী সম্পর্ক কেবল ক্ষণস্থায়ী কোনো ঘটনা ছিল না, বরং এটি ছিল তার রাজনৈতিক কৌশলের একটি সুনির্দিষ্ট অংশ। সমর্থকদের মাঝে গণমাধ্যমের প্রতি অবিশ্বাসের বীজ বুনে দিয়ে তিনি নিজের অবস্থানকে সবসময় শক্ত করার চেষ্টা করেছেন। তবে মুক্ত সংবাদচর্চার সমর্থকরা এই ধরনের আচরণকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবেই বিবেচনা করে আসছেন। ফলস্বরূপ, ট্রাম্পের এই নীতি মার্কিন সমাজে গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।