ঢাকাWednesday , 28 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্ণীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শ্রীনগরের উমপাড়ায় শুরু হলো ‘তৈ তৈ রেস্তোরাঁ এন্ড পার্টি সেন্টার’

Bangladesh
September 19, 2026 7:32 am
Link Copied!

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার উমপাড়ায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সংলগ্ন এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে নতুন একটি খাবার ও বিনোদনের স্থান ‘তৈ তৈ রেস্তোরাঁ এন্ড পার্টি সেন্টার’। স্থানীয় ঐতিহ্য ও খাঁটি দেশীয় খাবারের স্বাদকে প্রাধান্য দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে ভোজনরসিকদের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি এক জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর কার্যক্রম শুরু হয়। উদ্বোধনী দিনে বিভিন্ন এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠানটির শুভকামনা করেন। অতিথিরা রেস্তোরাঁর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং এর সার্বিক পরিবেশ ও মানসম্মত ব্যবস্থাপনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীদের জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় যাত্রাবিরতি ও বিশ্রামের স্থান হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন এই রেস্তোরাঁটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো তাজা মাছ ও হাঁসের মাংস নিজ চোখে পছন্দ করে রান্না করিয়ে খাওয়ার অভিনব ব্যবস্থা। উদ্যোক্তাদের মতে, গ্রাহকদের কাছে খাবারের সর্বোচ্চ মান ও তাজা ভাব নিশ্চিত করতেই এই পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এখানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে প্রমত্তা পদ্মা নদী এবং বিখ্যাত আড়িয়াল বিলের তাজা বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছকে। ক্রেতারা প্রথমে প্রদর্শন করা তাজা মাছ থেকে নিজেদের পছন্দমতো মাছ বেছে নেবেন এবং পরবর্তীতে বাবুর্চিদের মাধ্যমে সেগুলোকে নিজেদের পছন্দমতো নিয়মে রান্না করিয়ে খেতে পারবেন। এর ফলে সাধারণ রেস্তোরাঁর গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে গ্রাহকরা সম্পূর্ণ নতুন এবং উপভোগ্য একটি রন্ধন অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

পদ্মা ও আড়িয়াল বিলের মাছের পাশাপাশি দেশি হাঁসের মাংসের বিভিন্ন মুখরোচক পদ এই রেস্তোরাঁটির মেনুতে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। হাঁস ভুনা, হাঁসের বিরিয়ানি এবং হাঁসের ঝিঙুড়িসহ ঐতিহ্যবাহী নানা পদের সমাহার রাখা হয়েছে খাদ্যপ্রেমীদের জন্য। স্থানীয় সংস্কৃতি ও রেসিপির সঙ্গে মিল রেখে তৈরি এসব পদ গ্রামীণ ঐতিহ্যের স্বাদকে জীবন্ত করে তোলে। এ ছাড়া কফিপ্রেমীদের জন্য রয়েছে প্রিমিয়াম মানের কফি সেবনের বিশেষ ব্যবস্থা, যা আড্ডার পরিবেশকে আরও জমজমাট করে তুলবে। খাবারের চমৎকার মান, পরিচ্ছন্নতা এবং সুস্বাদু পদের সমাহার টিকিয়ে রাখতে কর্তৃপক্ষ শুরু থেকেই সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

খাবার পরিবেশনের পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য এখানে রয়েছে সুবিশাল পার্টি সেন্টারের সুব্যবস্থা। জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী কিংবা ছোটখাটো ব্যবসায়িক সভা বা পারিবারিক গেটটুগেদারের জন্য এই স্থানটি অত্যন্ত উপযোগী করে সাজানো হয়েছে। শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষ যেন স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারেন, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী মোপ্রান কামরুল ইসলাম আশা প্রকাশ করেছেন যে, ব্যবসার প্রসারের পাশাপাশি মানুষের আস্থা অর্জন এবং মানসম্মত সেবা প্রদানই তাদের মূল লক্ষ্য। স্থানীয় জনপদের পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকে আসা পথচারী ও ভ্রমণপিপাসুরা এখানে এসে মুন্সীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী রান্নার প্রকৃত স্বাদ উপভোগ করতে পারবেন।