ঢাকাFriday , 18 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্ণীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধাপরাধ করেছে বিশ্বাস করার মতো ভিত্তি পেয়েছে জাতিসংঘ

Bangladesh
September 18, 2026 12:31 am
Link Copied!

ইরানে গত ফেব্রুয়ারি মাসে একটি বিদ্যালয় এবং একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সে সংঘটিত দুটি পৃথক সামরিক হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের একটি বিশেষ তদন্ত দল। সম্প্রতি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়। তদন্তকারী দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাদের হাতে সংগৃহীত তথ্য ও প্রমাণাদি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং এর ভিত্তিতে বিশ্বাস করার মতো যৌক্তিক কারণ রয়েছে যে এই আক্রমণগুলোতে মার্কিন সামরিক বাহিনী জড়িত ছিল।

জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট দলটির মূল্যায়নে বলা হয়েছে যে, বেসামরিক জনবহুল এলাকা এবং বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা ক্রীড়া স্থাপনার মতো সংবেদনশীল স্থানে এ ধরনের সামরিক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের চরম লঙ্ঘন। বেসামরিক নাগরিকদের জীবন বিপন্ন করার পাশাপাশি এই হামলাগুলো সরাসরি যুদ্ধাপরাধের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। সংঘাতের সময় আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন উপেক্ষা করে পরিচালিত এসব আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা চরমভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই অভিযোগ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্রদের কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা নিয়ে বৈশ্বিক অঙ্গনে আবারও তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠতে শুরু করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত দাবি করেছে যাতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার পায় এবং দায়ী পক্ষগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনা যায়।

জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনের পর এখন বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক মহলে নানামুখী প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর হিসেবে বিবেচিত হওয়ায়, সামনের দিনগুলোতে এই বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে কূটনৈতিক চাপ আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ সত্যতা উন্মোচন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে এর বিচার নিশ্চিত করার জন্য জোরালো দাবি জানিয়ে আসছে।