ঢাকাThursday , 29 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্ণীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ট্রাম্পের হুমকির পর গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক নিরাপত্তা চুক্তি

Bangladesh
September 19, 2026 11:01 am
Link Copied!

বিশ্ব রাজনীতিতে আলোচিত ভূখণ্ড গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া তীব্র কূটনৈতিক উত্তেজনার অবশেষে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে এই নিরাপত্তা চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ফলে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আর্কটিক অঞ্চলের এই কৌশলগত দ্বীপটি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যে অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, এই চুক্তির মাধ্যমে তার অবসান ঘটার পথ সুগম হলো।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে জোরপূর্বক নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন যা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এমন আগ্রাসী মন্তব্যের পর ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। বিশ্বজুড়ে মিত্ররাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সার্বভৌমত্ব রক্ষা নিয়ে যখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল, ঠিক তখনই দুই দেশের নীতিনির্ধারকরা পরিস্থিতি সামাল দিতে কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করেন।

এই চুক্তির ফলে আর্কটিক অঞ্চলে যৌথ নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন মাত্রা লাভ করবে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতে, এই সমঝোতা কেবল গ্রিনল্যান্ডের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থাকেই সুরক্ষিত করবে না, বরং যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রেও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে। চুক্তির বিস্তারিত শর্তাবলীতে পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, বড় ধরনের কোনো রাজনৈতিক সংঘাতে না জড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে এই জটিল সংকটের সমাধান হওয়ায় আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এক ধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে। বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপ অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে চুক্তিটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন কুটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।