ঢাকাThursday , 29 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্ণীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তারেকের সরকার বিএনপির নয়, এটা হাসিনার : অলি আহমদ

Bangladesh
September 19, 2026 1:01 pm
Link Copied!

সম্প্রতি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিশিষ্ট রাজনীতিক ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস এবং মাস্তানির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডগুলো অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এ ধরনের বেআইনি তৎপরতা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না বলে তিনি কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের কার্যক্রম প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অলি আহমদ অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর এক মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন যে, তারেক রহমানের সরকার কেবল বিএনপির একক দলীয় সরকার নয়, বরং এর চরিত্র ও কার্যপ্রণালী অনেকটা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের অনুরূপ। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি নীতিনির্ধারক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছেন এবং প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে পরোক্ষভাবে প্রশ্ন তুলেছেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

বর্তমান প্রশাসনের কার্যপদ্ধতি নিয়ে কথা বলার সময় এই প্রবীণ নেতা দলের নেতাকর্মীসহ সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তারেক রহমানকেও তার দলীয় প্রশাসন পরিচালনার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে যাতে পূর্বের সরকারের মতো জনস্বার্থবিরোধী কোনো পরিস্থিতি তৈরি না হয়। একই সঙ্গে দেশের সাধারণ জনগণকে সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি, যাতে কোনো মহল অসৎ উদ্দেশ্যে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে না পারে।

সাম্প্রতিক এই রাজনৈতিক মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দেশের চলমান রূপান্তর প্রক্রিয়ার মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের এ ধরনের কঠোর সমালোচনা ও সতর্কবার্তা ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি না হলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার এই দূরত্বের পরিধি আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।