ঢাকাFriday , 30 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্ণীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহে দীর্ঘসূত্রিতায় বিপাকে মিত্ররা

Bangladesh
September 19, 2026 10:46 pm
Link Copied!

ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে মার্কিন সামরিক অস্ত্রাগার দ্রুত খালি হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশগুলোকে অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে বড় ধরনের বিলম্বের পূর্বাভাস দিয়েছে। মূলত সামরিক ভাণ্ডার আশঙ্কাজনক পর্যায়ে কমে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন মিত্র রাষ্ট্রে ক্ষেপণাস্ত্রসহ অন্যান্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পৌঁছাতে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ওয়াশিংটনের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা এবং বৈদেশিক সামরিক সহায়তা কার্যক্রম এই পরিস্থিতির কারণে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। বিশেষ করে যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরবরাহের ওপর গভীরভাবে নির্ভরশীল, তারা এই দীর্ঘসূত্রিতার ফলে নিজেদের নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে মিত্র দেশগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সতর্কবার্তা পাঠানোর পর থেকেই আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা মহলে নানাবিধ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং একের পর এক আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার কারণে হোয়াইট হাউসের সামরিক উৎপাদন সক্ষমতা বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে। ফলে বৈশ্বিক চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে নতুন অস্ত্র উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করা ওয়াশিংটনের জন্য বর্তমানে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই অস্ত্র ঘাটতি ও সরবরাহের দীর্ঘসূত্রিতা কেবল মিত্রদের সামরিক শক্তিকেই দুর্বল করবে না, বরং বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসন তাদের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়িয়ে অস্ত্রভাণ্ডার পুনর্গঠন এবং মিত্রদের চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন যে, এই সংকট রাতারাতি কাটানোর কোনো সহজ উপায় নেই এবং এর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব বিশ্ব রাজনীতিতে অনুভূত হবে।