ঢাকাThursday , 29 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্ণীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আইফোনের জন্য নয়, ধারের টাকা ফেরত চাওয়ায় অপ্রতিমকে হত্যা

Bangladesh
September 21, 2026 5:02 pm
Link Copied!

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ১৩ বছর বয়সী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। প্রথমে মোবাইল ফোন বা আইফোন ছিনতাইয়ের ঘটনা মনে করা হলেও, পরবর্তীতে জানা যায় এটি আসলে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। মূলত আর্থিক লেনদেন এবং পাওনা টাকা ফেরত চাওয়াই এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় এলাকায় এবং বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

তদন্তে প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত তুহিন ও তার কিশোর গ্যাংয়ের অন্য সদস্যরা অপ্রতিমের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে টাকা ধার নিয়েছিল। নিহত কিশোর তার পাওনা সেই টাকাগুলো ফেরত দেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের চাপ দিয়ে আসছিল। কিন্তু ধার নেওয়া অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে এবং বিষয়টি জানাজানি হওয়ার ভয়ে অভিযুক্তরা তাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে। পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে তারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ এবং পারিপার্শ্বিক তথ্যে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি ছিল মূলত অপরাধীদের সাজানো একটি সাজানো প্রোপাগান্ডা বা ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা। মূল উদ্দেশ্য ছিল পাওনা টাকা পরিশোধের ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া এবং অপ্রতিমকে স্থায়ীভাবে নীরব করে দেওয়া। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিশোর গ্যাংয়ের বাকি সদস্যদের চিহ্নিত করতে পুলিশি তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।

শিক্ষক পরিবারের এমন মেধাবী ও একমাত্র সন্তানকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। কিশোর গ্যাং কালচারের ক্রমবর্ধমান বিস্তার ও এর ভয়াবহ পরিণতি নিয়ে অভিভাবক মহলে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরপ্রত্যক্ষভাবে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং খুব শীঘ্রই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।