ঢাকাThursday , 29 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্ণীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

Bangladesh
September 25, 2026 3:46 am
Link Copied!

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নেওয়ার অংশ হিসেবে সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সেক্রেটারিয়েট ভবনে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ এবং জাতিসংঘের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন দুই শীর্ষ নেতা। এ সময় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছাড়াও উভয় পক্ষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

বৈঠকের মূল আলোচ্যসূচিতে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রা, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা এবং দীর্ঘমেয়াদি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের বিষয়টি বিশেষভাবে প্রাধান্য পায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বর্তমান উন্নয়নমূলক উদ্যোগগুলোর কথা তুলে ধরেন এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের করণীয় সম্পর্কে মহাসচিবকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনাকালে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক ও প্রশংসনীয় ভূমিকার কথা সবারে স্মরণ করা হয়। জাতিসংঘের বিভিন্ন শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্ব ও অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। এছাড়াও জাতিসংঘের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও অবদানের বিষয়ে উভয় নেতা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও অগ্রাধিকারের সঙ্গে জড়িত বিষয়গুলোতে জাতিসংঘের অব্যাহত সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন সরকারপ্রধান। এ সময় বহুপাক্ষিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা, আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব বাড়ানো এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়। জবাবে আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক অংশীদারত্বকে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন এবং ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।