ঢাকাWednesday , 28 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্ণীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইরানের সাত দিনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, উল্টো চাপে পড়তে পারেন ট্রাম্প

Bangladesh
September 28, 2026 1:01 am
Link Copied!

ইরান সরকারের পক্ষ থেকে সম্প্রতি একটি সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তেহরান প্রস্তাব দিয়েছিল যে কিছু নির্দিষ্ট মার্কিন ছাড়ের বিনিময়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা হবে। তবে ওয়াশিংটন এই প্রস্তাব গ্রহণ না করে উল্টো সময়ক্ষেপণকে হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়তো ভাবছেন বর্তমান পরিস্থিতি তার অনুকূলে রয়েছে এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে তিনি তেহরানের ওপর আরও বেশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারবেন। ওয়াশিংটনভিত্তিক সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির জ্যেষ্ঠ ফেলো নেগার মোর্তাজাবি সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানিয়েছেন। তার ধারণা, বর্তমান মুহূর্তে ইরানের প্রস্তাব মেনে নেওয়াকে হোয়াইট হাউসের জন্য একটি তাড়াহুড়ো সিদ্ধান্ত বলে মনে হতে পারে।

মার্কিন প্রশাসনের উদ্দেশ্য হলো কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধ অব্যাহত রেখে ইরানকে আরও বড় ধরনের ছাড় দিতে বাধ্য করা। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন যে এই ধরনের একতরফা কৌশল বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হতে পারে। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তেহরানের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এর ফলে তাদের রাজনৈতিক আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা খুবই কম এবং তাদের মূল নীতি বা রেড লাইন অপরিবর্তিত থাকবে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগামীতে দেশের মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলমান থাকা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেলে ট্রাম্প প্রশাসন বড় ধরনের বিপাকে পড়তে পারে। এছাড়া হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ক্ষেত্রে তেহরানের হাতে এখনও বেশ কিছু কার্যকর কৌশলগত চাপ প্রয়োগের সুযোগ রয়ে গেছে।

যদি ওয়াশিংটন বড় ধরনের ছাড় না দিয়ে কেবল চাপ বাড়াতে থাকে, তবে ইরানি নেতারা ভবিষ্যতে আর কোনো নতুন সমঝোতায় আসার আগ্রহ দেখাবেন না। এর ফলে দুই দেশের মধ্যকার বর্তমান কূটনৈতিক বিরোধ আরও গভীর হতে পারে এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে।