ঢাকাWednesday , 16 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্ণীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কিশোর কুমারের গান গেয়ে নৈশভোজে চমক দিলেন মালয়েশিয়ান প্রধানমন্ত্রী

Bangladesh
September 16, 2026 11:32 am
Link Copied!

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ব্রিকসের একটি বড় পরিসরের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার সময় এক অনন্য মুহূর্তের তৈরি হয়। ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের গান শুনিয়ে চমকে দেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। দক্ষিণ এশিয়ার কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী কিশোর কুমারের একটি জনপ্রিয় হিন্দি গান গেয়ে তিনি পুরো আসরের মনোযোগ আকর্ষণ করেন। আন্তর্জাতিক একটি মঞ্চে কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের এমন পরিবেশনা উপস্থিত সবার মাঝে দারুণ আনন্দের আবহ তৈরি করেছিল।

সাংস্কৃতিক ওই পর্বে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বেছে নেন ১৯৬৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জনপ্রিয় সিনেমা ‘তিন দেবিয়াঁ’-র একটি গান। কিশোর কুমারের গাওয়া ‘খোয়াব হো তুম ইয়া কোই হাকিকত’ শিরোনামের অমর সেই গানটি তিনি পরম আবেগ ও আন্তরিকতার সঙ্গে পরিবেশন করেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও গানটির কালজয়ী আবেদন যে এখনো ফুরিয়ে যায়নি, বিশ্বমঞ্চে এই ঘটনার মাধ্যমে তা আবারও প্রমাণিত হয়েছে। তার এই পরিবেশনা শুধু অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদেরই নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সংগীতপ্রেমীদেরও বিশেষভাবে মুগ্ধ করে।

ভারতীয় চলচ্চিত্র ও সংগীতের প্রতি আনোয়ার ইব্রাহিমের অনুরাগ নতুন কোনো বিষয় নয়। এর আগেও বিভিন্ন ঘরোয়া ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তাকে ভারতীয় সংস্কৃতি ও সুরের প্রতি নিজের বিশেষ ভালোবাসার কথা প্রকাশ করতে দেখা গেছে। তবে ব্রিকসের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক সম্মেলনে তিনি নিজে মাইক্রোফোন হাতে তুলে নিয়ে গান গাইবেন, এমনটি হয়তো অনেকেই আশা করেননি। তার এই অপ্রত্যাশিত ও প্রাণবন্ত পরিবেশনা নৈশভোজের গম্ভীর পরিবেশকে মুহূর্তেই এক চমৎকার উৎসবমুখর আয়োজনে রূপান্তর করে।

একজন শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রপ্রধানের কণ্ঠে কিশোর কুমারের এই ক্লাসিক গান পরিবেশনের ভিডিও ক্লিপটি পরবর্তীতে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং নেটিজেনদের কাছ থেকে প্রচুর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লাভ করে। রাজনীতি ও কূটনীতির বাইরে একজন রাজনীতিকের এমন সংস্কৃতিমনস্ক ও সাবলীল রূপ দেখে সাধারণ মানুষও বেশ আনন্দিত হয়েছেন। বিশ্বমঞ্চে গানটির এই পুনরুত্থান উপমহাদেশের সংগীতের সীমানা ছাড়িয়ে বৈশ্বিক জনপ্রিয়তার বিষয়টি আবারও জোরালোভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।