ঢাকাSunday , 13 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্ণীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হবে যেদিন

Bangladesh
September 13, 2026 6:16 am
Link Copied!

বিএনপির রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে পরিচিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের শূন্য পদে উপ-নির্বাচনের জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে দলটি। এই শূন্য আসনটি একসময় বিএনপির সাবেক মহাসচিব এবং বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সংসদীয় এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল। সম্প্রতি দলের পক্ষ থেকে এই আসনের উপ-নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ এবং দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আগ্রহী দলীয় প্রার্থীরা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মনোনয়ন সংগ্রহ করতে পারবেন। দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র উত্তোলন এবং পরবর্তীতে তা জমা দেওয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই উপ-নির্বাচনে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী কে হবেন তা নির্ধারণ করবে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটি। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসবে এই মনোনয়ন বোর্ড। সেই বৈঠকের আলোচনা ও পর্যালোচনার মাধ্যমেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

এর আগে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এক সংবাদ সম্মেলনে এই উপ-নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়ার বিস্তারিত গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি জানান যে, দলের চেয়ারপারসনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকেই এই সিদ্ধান্তগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রার্থীরা তাদের কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির ওই বৈঠকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচনের পাশাপাশি দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং দলের নতুন সদস্যরা প্রথমবারের মতো এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সভায় অংশ নেন।