ঢাকাMonday , 14 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্ণীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার

বরিস জনসন ও ইউরোপের শীর্ষ কর্মকর্তারা স্টেশন ছাড়ার পর ইউক্রেনের ট্রেনে রাশিয়ার হামলা

Bangladesh
September 14, 2026 9:31 am
Link Copied!

ইউক্রেনের একটি রেলওয়ে স্টেশনে সম্প্রতি রুশ বাহিনী ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এই হামলার ঠিক কিছুক্ষণ আগেই সেখান থেকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল ইউরোপের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উচ্চপদস্থ এই অতিথিরা স্টেশন এলাকা ছেড়ে যাওয়ার মাত্র পনেরো মিনিট পর ওই ড্রোন হামলাটি পরিচালিত হয়। ফলে বড় ধরনের কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি বা প্রাণহানির হাত থেকে তারা সৌভাগ্যবশত রক্ষা পান।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, যে সময় এই হামলাটি চালানো হয়, ঠিক সেই মুহূর্তে ইয়াহোদিন স্টেশনে অবস্থান করছিল আরও একটি ট্রেন। আর ওই দ্বিতীয় ট্রেনটিতেই সে সময় উপস্থিত ছিলেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সাবেক প্রধান ডেভিড পেট্রেয়াস। অত্যন্ত সংবেদনশীল এই কূটনৈতিক ও সামরিক ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি সত্ত্বেও রুশ বাহিনী সেখানে জেট-চালিত ড্রোন দিয়ে আঘাত হানে। এর ফলে স্টেশনে থাকা একটি ট্রেনের ইঞ্জিন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ইউক্রেনের রেল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, অত্যন্ত নিখুঁত ও পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছিল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থার কারণে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে। হামলার পরপরই স্টেশন চত্বরে অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলে। বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের যাতায়াতের সময় এ ধরনের হামলা নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিকেই নতুন করে স্পষ্ট করে তুলেছে।

যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং যোগাযোগ মাধ্যম নিয়মিতভাবেই হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। সাম্প্রতিক এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে সফররত আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও নিরাপদ নন। এই ড্রোন হামলার পর ইউক্রেনীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে কূটনৈতিক স্তরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।