ঢাকাFriday , 18 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ ও দুর্ণীতি
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনযাপন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট ভাঙতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

Bangladesh
September 18, 2026 2:16 am
Link Copied!

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও কুখ্যাত সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবিতে অত্যন্ত জোরালো অবস্থান নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদীয় দলের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সম্প্রতি এক বিশেষ বক্তব্যে তিনি এই অশুভ চক্রের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার দ্ব্যর্থহীন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তাঁর মতে, একটি প্রভাবশালী চক্রের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়াগামী শ্রমিকদের জিম্মি করে রাখা হয়েছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান আরও উল্লেখ করেন যে, এই সিন্ডিকেটব্যবস্থার কারণে সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের পক্ষে মালয়েশিয়ায় কাজের উদ্দেশ্যে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং নানা হয়রানির শিকার হয়ে হাজার হাজার কর্মপ্রত্যাশী সর্বস্বান্ত হচ্ছেন। অথচ দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে এই প্রবাসীদের ঘামঝরানো বৈদেশিক মুদ্রার অবদান অপরিসীম, যা এই সিন্ডিকেটের কারসাজির কারণে ব্যাহত হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

শ্রমবাজারের এই সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি জোর দাবি জানান এই রাজনৈতিক নেতা। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, অনতিবিলম্বে যদি এই অবৈধ সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া না হয়, তবে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের রাজপথে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সরকারের দায়িত্বশীল বিভাগগুলোকেও এ বিষয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানান তিনি, যাতে সাধারণ মানুষ কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর প্রতারণার শিকার না হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত আমিরের এই হুঁশিয়ারি মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে চলমান আলোচনা ও উদ্বেগকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই জটিল সমস্যার একটি স্থায়ী ও জনবান্ধব সমাধান এখন সাধারণ কর্মী ও অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে। ফলে আগামী দিনে এই বিষয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে আরও জোরালো তৎপরতা দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।